ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি সাবেক সফল চেয়ারম্যান জহিরুল হক চৌঃ হীরা

মোঃ আমানউল্লাহ আমান, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : ১১:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১৪০৮ বার পঠিত
কালের ধারা ২৪, অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিজ্ঞাপন
print news

মোঃ আমানউল্লাহ আমান, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণা জেলা মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়ন এর সাবেক তিন বারের সফল চেয়ারম্যান জহিরুল হক চৌধুরী হীরা। তিনি চিলেন ১৯৬৯ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক,১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের তোরা নামক স্থানে ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে ৪নং উইং এর উইং কমান্ডার। ট্রেনিং শেষে বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন রঙ্গনে বীরত্বের সহিত যুদ্ধ করেন এবং কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে ৬নং কোম্পানি ও ৭নং ভুটান গ্রুপের দায়িত্ব পালন করেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৭৪ সনে নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হয় এবং কেন্দ্রীয় কমিটিং পদাধিকার বলে সদস্য লাভ করেন। ১৯৭৫ সনে ১৫ আগস্ট রাত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে আনুমানিক ২৫-শে আগষ্ট মোহনগঞ্জ ডাক্তার আখলাকুল হোসাইন আহম্মেদ এমপি সাহেব এর চেম্বার থেকে ল্যাপ্টেন্যান্ট তারেক রহমান জহিরুল হক হীরা কে গ্রেফতার করে।মোহনগঞ্জ ময়মনসিংহ কাগডোর বি.ডি.আর ক্যাম্পে রেখে মোট ২১ দিন নির্যাতন করে এবং ময়মনসিংহ কাতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করে। উক্ত জেলায় দু,বছর কাটানোর সময় তখনকার সময়ের বাণিজ্য মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহাম্মদ সাহেব এর সাথে একই জেলখানায় চিলেন। জেল থেকে বের হয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে অনেক গুলো বছর কেটে যায়,তারপর ডাঃ এর পরামর্শে তারে ব্যবসা বাণিজ্য করতে বলে এভাবে সরণ শক্তি আবার ফিরে আসে তখনকার সময় মুক্তিযুদ্ধের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজুর রহমান সাহেবের সময় কাউন্সিলরদের ভোটে ডিপুটি কমান্ডার নির্বাচিত হন হীরা।

১৯৮২-১৯৮৩ অর্থ বছরে মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়নে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে জয়যুক্ত হন, এবং পরপর ৩ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন জনগণের ভোটে। তিনি অতি সুনামের সহিত চেয়ারম্যান পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেন প্রায় ২০ বছর। ১৯৯৬ সালে ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার হিসেবে নেত্রকোনা জেলার দায়িত্ব পালন করেন। তখনকার সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী প্রতি জেলায় ২জন মুক্তিযুদ্ধাকে বিশেষ পদক দান করেন এবং জাতীয় সংসদে উওর প্লাজায় তাদের সম্ভর্ধনা দেওয়া হয়। নেত্রকোনা জেলার দুজনের মধ্যে জহিরুল হক চৌঃ হীরা চিলেন একজন।

নজরুল সেনার প্রতিষ্টাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নেত্রকোণা জেলার।

এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নিবেধিত ছিলেন জহিরুল হক চৌঃ হীরা দূর্সময দলের জন্য কাজ করে গেছেন। বিএনপির আমলে লুৎফুজ্জামান বাবর স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী থাকা সময় বাবরের নেতৃত্বে হীরার ছোট ভাই কায়েস চৌধুরীকে প্রকাশ্য দিবালয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

জহিরুল হক চৌঃ পরিবার নির্যাতিত নিপিরিত তাই সকল মানুষের প্রাণের দাবী আগামি ইউনিয়ন নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জেনো আবারো জহিরুল হক চৌধুরীকে নৌকা প্রতিক দিয়ে দেশে ও জনগনের সেবা করা সুযোগ করে দিন। তিনি একজন যোগ্য চেয়ারম্যান বিগত দিনে ২০টি বছর কাটিয়েছেন চেয়ারম্যানি চেয়ারে, তার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। তিনি শুধু জনগনের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত থাকেন।




ফেসবুকে আমরা







x

নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশি সাবেক সফল চেয়ারম্যান জহিরুল হক চৌঃ হীরা

প্রকাশিত : ১১:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
বিজ্ঞাপন
print news

মোঃ আমানউল্লাহ আমান, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণা জেলা মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়ন এর সাবেক তিন বারের সফল চেয়ারম্যান জহিরুল হক চৌধুরী হীরা। তিনি চিলেন ১৯৬৯ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক,১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের তোরা নামক স্থানে ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে ৪নং উইং এর উইং কমান্ডার। ট্রেনিং শেষে বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন রঙ্গনে বীরত্বের সহিত যুদ্ধ করেন এবং কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে ৬নং কোম্পানি ও ৭নং ভুটান গ্রুপের দায়িত্ব পালন করেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৭৪ সনে নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হয় এবং কেন্দ্রীয় কমিটিং পদাধিকার বলে সদস্য লাভ করেন। ১৯৭৫ সনে ১৫ আগস্ট রাত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে আনুমানিক ২৫-শে আগষ্ট মোহনগঞ্জ ডাক্তার আখলাকুল হোসাইন আহম্মেদ এমপি সাহেব এর চেম্বার থেকে ল্যাপ্টেন্যান্ট তারেক রহমান জহিরুল হক হীরা কে গ্রেফতার করে।মোহনগঞ্জ ময়মনসিংহ কাগডোর বি.ডি.আর ক্যাম্পে রেখে মোট ২১ দিন নির্যাতন করে এবং ময়মনসিংহ কাতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করে। উক্ত জেলায় দু,বছর কাটানোর সময় তখনকার সময়ের বাণিজ্য মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহাম্মদ সাহেব এর সাথে একই জেলখানায় চিলেন। জেল থেকে বের হয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে অনেক গুলো বছর কেটে যায়,তারপর ডাঃ এর পরামর্শে তারে ব্যবসা বাণিজ্য করতে বলে এভাবে সরণ শক্তি আবার ফিরে আসে তখনকার সময় মুক্তিযুদ্ধের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মাহফুজুর রহমান সাহেবের সময় কাউন্সিলরদের ভোটে ডিপুটি কমান্ডার নির্বাচিত হন হীরা।

১৯৮২-১৯৮৩ অর্থ বছরে মোহনগঞ্জ উপজেলার ৬নং সুয়াইর ইউনিয়নে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে জয়যুক্ত হন, এবং পরপর ৩ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন জনগণের ভোটে। তিনি অতি সুনামের সহিত চেয়ারম্যান পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেন প্রায় ২০ বছর। ১৯৯৬ সালে ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার হিসেবে নেত্রকোনা জেলার দায়িত্ব পালন করেন। তখনকার সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী প্রতি জেলায় ২জন মুক্তিযুদ্ধাকে বিশেষ পদক দান করেন এবং জাতীয় সংসদে উওর প্লাজায় তাদের সম্ভর্ধনা দেওয়া হয়। নেত্রকোনা জেলার দুজনের মধ্যে জহিরুল হক চৌঃ হীরা চিলেন একজন।

নজরুল সেনার প্রতিষ্টাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নেত্রকোণা জেলার।

এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নিবেধিত ছিলেন জহিরুল হক চৌঃ হীরা দূর্সময দলের জন্য কাজ করে গেছেন। বিএনপির আমলে লুৎফুজ্জামান বাবর স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী থাকা সময় বাবরের নেতৃত্বে হীরার ছোট ভাই কায়েস চৌধুরীকে প্রকাশ্য দিবালয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

জহিরুল হক চৌঃ পরিবার নির্যাতিত নিপিরিত তাই সকল মানুষের প্রাণের দাবী আগামি ইউনিয়ন নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জেনো আবারো জহিরুল হক চৌধুরীকে নৌকা প্রতিক দিয়ে দেশে ও জনগনের সেবা করা সুযোগ করে দিন। তিনি একজন যোগ্য চেয়ারম্যান বিগত দিনে ২০টি বছর কাটিয়েছেন চেয়ারম্যানি চেয়ারে, তার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। তিনি শুধু জনগনের কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত থাকেন।