ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে

কালের ধারা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ০১:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৫৯৭ বার পঠিত
কালের ধারা ২৪, অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিজ্ঞাপন
print news

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন পদ্ধতিতে সারাদেশে একযোগে নিয়োগ পরীক্ষা হবে না। দীর্ঘসূত্রতাও কমিয়ে আনা হবে। এ লক্ষ্যে স্বল্প সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে দেশের আট বিভাগকে চার ভাগে বিভক্ত করে আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, চার অঞ্চলে আলাদাভাবে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। ফল প্রকাশও হবে আলাদাভাবে।

বছরে অন্তত দু’টি করে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হবে। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে আগামী মার্চের মাঝামাঝি নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

সূত্র জানায়, সারাদেশে একযোগে পরীক্ষা আয়োজনে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করাটাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কেউ কেউ নানান অসাধুপন্থা অবলম্বনের চেষ্টা করে। গত দুটি নিয়োগ পরীক্ষা চলার সময়ে একাধিক জেলায় প্রশ্নফাঁস ও বাইরে থেকে উত্তর জানিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

এর ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে আগের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মৌখিকভাবে এ প্রস্তাব দেয়। মন্ত্রণালয় থেকে নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। বর্তমানে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করলেও তা শেষ করতে দু-তিন বছর লেগে যাচ্ছে। শিক্ষক ছাড়া শিশুদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে আগের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মৌখিকভাবে এ প্রস্তাব দেই। মন্ত্রণালয় থেকে নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। বর্তমানে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।




ফেসবুকে আমরা







x

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে

প্রকাশিত : ০১:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
বিজ্ঞাপন
print news

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন পদ্ধতিতে সারাদেশে একযোগে নিয়োগ পরীক্ষা হবে না। দীর্ঘসূত্রতাও কমিয়ে আনা হবে। এ লক্ষ্যে স্বল্প সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে দেশের আট বিভাগকে চার ভাগে বিভক্ত করে আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, চার অঞ্চলে আলাদাভাবে নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। ফল প্রকাশও হবে আলাদাভাবে।

বছরে অন্তত দু’টি করে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হবে। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে আগামী মার্চের মাঝামাঝি নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

সূত্র জানায়, সারাদেশে একযোগে পরীক্ষা আয়োজনে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করাটাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কেউ কেউ নানান অসাধুপন্থা অবলম্বনের চেষ্টা করে। গত দুটি নিয়োগ পরীক্ষা চলার সময়ে একাধিক জেলায় প্রশ্নফাঁস ও বাইরে থেকে উত্তর জানিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

এর ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে আগের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মৌখিকভাবে এ প্রস্তাব দেয়। মন্ত্রণালয় থেকে নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। বর্তমানে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করলেও তা শেষ করতে দু-তিন বছর লেগে যাচ্ছে। শিক্ষক ছাড়া শিশুদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে আগের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মৌখিকভাবে এ প্রস্তাব দেই। মন্ত্রণালয় থেকে নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। বর্তমানে লিখিত প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।