ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে ফ্রান্স, মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র

কালের ধারা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : ১২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২ ৩৪০ বার পঠিত
কালের ধারা ২৪, অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
বিজ্ঞাপন
print news

সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে ফ্রান্স, মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র

সারাবিশ্বে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ শতাধিক মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছে সাড়ে তিন লাখে।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘন্টায়  বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে এবং দৈনিক প্রাণহানির শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আজ শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় একশো। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৪২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৬৭৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩০ হাজারেরও বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ৮৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭১৮ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ২১৮ জন এবং মারা গেছেন ৬২ জন। দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৫৪৫ জন এবং মারা গেছেন ২৪৬ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৭৭ জন এবং মারা গেছেন ১০১ জন। তাইওয়ানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৪২১ জন এবং মারা গেছেন ২৯ জন। জাপানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৯০ জন এবং মারা গেছেন ৭৮ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন এবং মারা গেছেন ২৫ জন।

ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৮৯ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৭০৫ জন এবং মারা গেছেন ৬৬ জন। ফিলিপাইনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২ হাজার ৮৮৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।




ফেসবুকে আমরা







x

সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে ফ্রান্স, মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১২:৩৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০২২
বিজ্ঞাপন
print news

সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে ফ্রান্স, মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র

সারাবিশ্বে করোনায় দৈনিক মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ শতাধিক মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছে সাড়ে তিন লাখে।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘন্টায়  বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে এবং দৈনিক প্রাণহানির শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আজ শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় একশো। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৪২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৬৭৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩০ হাজারেরও বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ৮৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭১৮ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ২১৮ জন এবং মারা গেছেন ৬২ জন। দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৫৪৫ জন এবং মারা গেছেন ২৪৬ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৭৭ জন এবং মারা গেছেন ১০১ জন। তাইওয়ানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৪২১ জন এবং মারা গেছেন ২৯ জন। জাপানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৯০ জন এবং মারা গেছেন ৭৮ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন এবং মারা গেছেন ২৫ জন।

ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১৮৯ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৭০৫ জন এবং মারা গেছেন ৬৬ জন। ফিলিপাইনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২ হাজার ৮৮৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।