১৯০৭ সালের ২৬ মার্চ শ্রীমতি মহাদেবী বর্মা জন্মগ্রহণ করেন।মহাদেবী ফারুকাবাদে এক কায়স্থ আইনজীবী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।পিতা গোবিন্দ প্রসাদ বর্মা আর মাতা হেমা রানী।
তিনি হিন্দি সাহিত্যের একজন মহান কবি ও সুবিখ্যাত লেখিকা ছিলেন।মহাদেবী বর্মা নারী শিক্ষার প্রসারেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।আধুনিক কাব্যধারার "ছায়াবদ" ঘরণার একজন উল্লেখযোগ্য কবি মানা হয় মহাদেবী বর্মা'কে।
বর্মাজী এলাহাবাদের "প্রয়াগ মহিলা বিদ্যাপিঠ' এ বহুবছর অধ্যক্ষা এবং উপাচার্য ছিলেন।বর্মাজী'কে হিন্দি সাহিত্যের সূর্যকান্ত ত্রিপাঠিী নিরালাজী আপনাকে "স্বরস্বতী"র সংঙ্গা দিয়েছেন।ভারত সরকার ধ্বারা আপনাকে ১৯৫৬ সালে পদ্মভূষণ, ১৯৫৮ সালে পদ্মভিষূণ এবং ১৯৭৯ সালে ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার জ্ঞানপীঠ পুরস্কারে সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে।
মহাদেবী বর্মা চিত্রকর হিসাবেও খ্যাতিলাভ করেন।তিনি অসংখ্য ছোটগল্প লেখেন।তার গ্রন্থগুলি হল:নীহার (১৯৩০), রেশমী(১৯৩২), নীরজা(১৯৩৪), সন্ধ্যাগীত(১৯৩৬), দীপশিখা(১৯৩৯),অগ্নিরেখা(১৯৯০, এটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়)।
বর্মাজী ১৯৮৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : শেখ মাজহারুল ইসলাম শাকিল